আরবি মাস্টার ও ফুলকপির মাঞ্চুরি// বানু মুশতাক, অনুবাদ: বিপ্লব বিশ্বাস
কিছু বিষয় যতই সহজ-সরল দেখাক, তা মোটেও সেরকম নয়, অন্ততপক্ষে সবসময় তো নয়ই। কোনো দায়িত্ব নিতে হবে বলে ভয় পাওয়া […]
কিছু বিষয় যতই সহজ-সরল দেখাক, তা মোটেও সেরকম নয়, অন্ততপক্ষে সবসময় তো নয়ই। কোনো দায়িত্ব নিতে হবে বলে ভয় পাওয়া […]
{কোনো এক ফরাসি সরকারী হাসপাতালে অরওয়েলের অভিজ্ঞতার একটি অকল্পনীয় বিবরণ এই প্রবন্ধ ১৯ শতকের চিকিৎসা সেবার প্রেক্ষাপটে হাসপাতাল সাহিত্যের এক
এশার নামাজের ঠিক আগে, অবিরাম বৃষ্টি ঝরছিল। পিঠের উপর ব্যাগে রাখা আরবী বইটি যেন বৃষ্টিতে না ভিজে, সেজন্য নিজের ওড়না দিয়ে
টুনি লাইট এবং বহুবর্ণী ডানা ঝুলে থাকা গোলাকার যন্ত্রটাকে সে হাত দিয়ে ঘুরিয়ে পাকিয়ে খুব মনোযোগের সঙ্গে পরীক্ষা করছে। গোলাকার
আবারও ভোরে ফজরের নামাজের জন্য ঘুম থেকে জেগে উঠতে না পেরে শেষমেশ নিজের ব্লাডপ্রেশারের অসুখটার ঘাড়েই দোষ চাপায় সাজিয়া। সবসময়ই
মেহরুন আধা ভেজানো দরজাটা একটু সরিয়ে ভিতরে পা রেখেছে। ড্রয়িংরুমের ডিভান খাটে শুয়ে আছে তার বাবা। বাবা ও তার বড়
কাহিনির প্রেক্ষাপট: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এক ক্ষুদ্র রাজ্য মণিপুর। মণিপুর একসময় স্বাধীন রাজ্য ছিল। ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশদের সাথে সংঘটিত এক অসম
বিয়ের তেরোতম রাত — ষোল বছরের মান্নুরাম চিডিমার তার পনের বছর বয়সী বউ সোনাবতীর দিকে পিঠ ফিরিয়ে শুয়ে আছে। সোনাবতীর
১.কেমন সুবাস ছিলোতোমার প্রাণেতোমার কথা মনে হলেদুঃখও সুবাস ছড়াতে থাকে। ২.যে সকল ফুলেরনাম জানি নাতাদেরকেও ফুল বলে ডাকি ভাবছিমানুষের সঙ্গেও
প্রসন্নতার প্রদীপ্ত বেলাকোনো এক প্রদীপ্ত প্রসন্ন বেলায় বসে আছি বারান্দায়তুমি আর আমি।আপাতদৃষ্টিতে দুজন হলেওআমরা যেন দুজনে মিলে একক আত্মা।আমরা প্রবাহিত
প্রদীপ সিং: প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন। আপনার ‘রেত সমাধি’ উপন্যাসের অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী বৃদ্ধ মায়ের গল্পটি এখন ফরাসি সাহিত্যের অংশ। আপনার উপন্যাসটি
রায়গানি (ক্ষতি)———————-গত একত্রিশ দিন ধরেঘর বন্ধ করে শুধু এই লোকসান গুনতে গিয়েএলোমেলো হয়ে আছিএই যে তুমি চলে গেলেএই ক্ষতির বিন্দুমাত্র ধারণা