গলি পেরিয়ে // মিজানুর রহমান নাসিম
এইতো দু’মিনিট আগেও আবেগ টগবগিয়ে উঠছিল—আজ তাকে খুঁজে বের করবোই! অথচ ওই পথে যেতে এখন আমার মনে বেশ খানিকটা দ্বিধা
এইতো দু’মিনিট আগেও আবেগ টগবগিয়ে উঠছিল—আজ তাকে খুঁজে বের করবোই! অথচ ওই পথে যেতে এখন আমার মনে বেশ খানিকটা দ্বিধা
একটা বিরাট কালো পাথর ধীরে ধীরে নেমে আসে মিরাজের বুকের উপর। সে শুয়ে আছে বিকট কাচিমের মতো চিৎ হয়ে। ভয়ে
মেয়েটার বয়স নয় বছরের কাছাকাছি অথচ সে এখনো নিজের কাপড়ের বোতামটা পর্যন্ত লাগাতে পারে না। ভ্যালেরিদের অতিরিক্ত রুমটায় থাকছে ও।
বৈশাখ মাসের তপ্ত দিনের মধ্যে একজন সন্তকে দেখা যায় মাঠের কিনারার এক পাকুড় গাছের ছায়ায় বসে ধ্যান করতে! চারদিকের মাটি
১৯২১ সালের আগস্ট। মস্কো শহরটা যেন নিজের ছায়ার ভেতর বাস করছে। বিপ্লবের চার বছর পেরিয়েছে। গৃহযুদ্ধও প্রায় শেষ। কিন্তু বিজয়ী
আমরা থাকি চার তলা বিল্ডিংয়ের চার তলায়। উপরে ছাদ। বিল্ডিংটা বেশ পুরানো, এ জন্য রুমগুলো বড় বড়। তিন দিকে টানা
অনেক অনেকদিন আগে বাংলায় এক ঘরে এক ছোট্ট শিশুর জন্ম হয়। খুবই ছোট্ট, পৃথিবীর ১৪ কোটি ভাগের এক ভাগ মাত্র।
০১.আমার পরিবার আমাকে নিয়ে বেশ বিপাকে আছে। বিশেষ করে আমার স্ত্রী-সন্তানরা। মানুষের স্বামীর কত পরিচয় থাকে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অধ্যাপক, আমলা,
ফ্রঁসে মামাই নামে একজন বৃদ্ধ বংশীবাদক মাঝে মাঝে আমার এখানে মিষ্টি ওয়াইন পান করতে করতে সন্ধ্যাগুলো কাটায়, সেদিন রাতে তিনি
১ ট্রেনটা যশোর স্টেশনে ঢুকতেই বৃষ্টিটা হঠাৎ থেমে গেল। যেন নাটকের মঞ্চে পর্দা পড়ল, ‘বিরতি।’ ছাউনি থেকে জলের ফোঁটা টুপটাপ
সন্ধ্যার সতেজ হাওয়া নিতে বাইরে পা বাড়াতেই দেখি মনোরম ঝলমলে আকাশ। গেদুর ঘন কুয়াশাময় আবহাওয়ায় এক বিরল দৃশ্য উপস্থিত। বাড়ির
[ রুশ ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং নাট্যকার নিকোলাই গোগোলের (১৮০৯-১৮৫২) সাহিত্য অদ্ভুতের ভেতর দিয়েও সবচেয়ে নির্মম বাস্তবকে আমাদের দেখতে শিখিয়েছে। তাঁর