কিনফাম সিং নংকিনরিহ’র খাসি কবিতা // অনুবাদ: ঈশিতা দস্তিদার
আগরতলার রাত্রি ধুলিধূসর আর এলোমেলো রিকশার এই উষ্ণ শহরে আমি চিরকাল থেকে যেতে পারতাম, উপকথার গল্প থেকে শিক্ষণীয় কিছুর মতো।
আগরতলার রাত্রি ধুলিধূসর আর এলোমেলো রিকশার এই উষ্ণ শহরে আমি চিরকাল থেকে যেতে পারতাম, উপকথার গল্প থেকে শিক্ষণীয় কিছুর মতো।
১. মোহনা মৌন প্রস্তাব এসেছিল রাতের অন্ধকারে,স্রোতের মতো বহমান জীবনের কৌলিন্য দিয়েছিলমোহনার দিকে যাওয়ার ঝোঁক, শুকিয়ে যাওয়া পথ খুঁজে পায়
তুমিও ভুল করতে পারো, মা (মা তুম ভি গলত হো সাকতি হো) মা তো কীভাবে ভুল করবে, বলো? সংসারে যেন
একটি আগর গলা সন্ধ্যায়আর্দ্র আবহাওয়ার কাছেযেভাবে ধরে রেখেছে লাউয়ের পুরুষ ফুলব্লীডিং হার্ট– পথের পাশে ছোট যে মেয়েটি খেলা করছিল–তার নাম
সামিহ আল কাসিম (Samih al-Qasim, ১৯৩৯–২০১৪) ফিলিস্তিনি সাহিত্যের এক উজ্জ্বল, তীক্ষ্ণ এবং গভীরভাবে মানবতাবাদী কণ্ঠ। তাঁকে বলা হয় ‘প্রতিরোধের মহাকবি’।
ভাবতেছি, আজ থেকে আবার খোদায় বিশ্বাস করা শুরু করবো আমি,খুব পার্সোনাল এক খোদা, ইনোসেন্ট অফ রাইটস অ্যান্ড রিলিজিয়নস,যে খোদারে ডাকবো,
ঐ যে কার্তিকের মরা রহস্য‘কার্তিক মাঠের চাঁদ’যেন বহু জন্মের পাপ ক্ষয়আমি মরে যাবার পরেও রয়ে যাবেবিষ্ণু তখন যোগনিদ্রায়কবে ধ্যানসন্ধ্যায় উদ্যামক্ষয়িষ্ণু
চলুক যুদ্ধ মৃত নক্ষত্রের চাপে ক্রমাগত বেঁকে যাচ্ছে পৃথিবীর পিঠ মুছে যাচ্ছে অপরাহ্ন বিষাদ সময় ভালবাসতে ভয় হয় ছায়াময় অন্ধ
কন্টাক্ট লিস্ট কন্টাক্ট লিস্টে হারিয়ে যাওয়া নম্বর গুলো একদিন জঙ্গলের জোনাকি আলোয় খুঁজতে পাহাড়ের কাছে গিয়েছিলাম। নদী খাত ধরে হাঁটতে
স্বদেশের সাতটি আকাশ আমাদের ফুসফুস আমাদের স্বদেশ আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাস আমাদের নির্বাসিত দ্বীপান্তর। যখন আমাদের পদচিহ্ন পড়ে দেশের সীমান্তে, আমাদের স্বদেশ
ঘাতক নিন্দুককে চিনি জানি গতিবিধির সাইকোলজি হৃদয় কেটে যাচ্ছে গোপন ছুরিতে যাকে ফুল দিয়ে প্রতিনিয়ত পূজি আত্মবিশ্বাস একটা নির্লজ্জ ঘাতক।
শকুনী মেঘেরা ঘষাঘষি করলে বজ্র রাজনৈতিক নেতা হয়ে যায় শুকনো খড়ের ভয় বাড়ে চালের জ্বর বাড়ে মাটি কেবল জেনেছে এসমস্ত