ম্যাকডালেন জঙ্গলে আপতন (পর্ব ২) // সামিহা মাহজাবিন অর্চি
অয়ন সপ্রশংস কন্ঠে বলল,‘গ্রেট! তবে…বুঝলে কী করে যে উনি হুইস্কিই খান? কখনো খেয়েছ না কি?’ দুষ্টুমির হাসি হাসল সে।‘না।’ আগের […]
অয়ন সপ্রশংস কন্ঠে বলল,‘গ্রেট! তবে…বুঝলে কী করে যে উনি হুইস্কিই খান? কখনো খেয়েছ না কি?’ দুষ্টুমির হাসি হাসল সে।‘না।’ আগের […]
অয়ন সপ্রশংস কন্ঠে বলল,‘গ্রেট! তবে…বুঝলে কী করে যে উনি হুইস্কিই খান? কখনো খেয়েছ না কি?’ দুষ্টুমির হাসি হাসল সে।‘না।’ আগের
মনের আয়না আইকো একজন তরুণ সন্ন্যাসী। তিনি জাপানের পাহাড়ি একটি মন্দিরে থাকতেন। পাহাড়ের নিস্তব্ধতায় তার দিন কাটত ধ্যান আর মন্দির
বাপের বেটা লাদেন যখন নেতা হলো সবাই অবাক হয়ে গেল। আশেপাশের দশ গ্রামে কেউ কোনোদিন নেতা হয়নি। নেতা তো দূরের
বহুদিন পর সূর্য মামা দেখা দিলেন অক্সফোর্ডের আকাশে। ঝলমলে রোদে কে বলবে যে তিনি বেশ কিছুদিন ধরে নিজের ঘরে আরাম
ভোরের ঠিক আগের প্রহর। হামিদা তার অভ্যাসমতো প্রাতঃকৃত্য সারতে ক্ষেতের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বেরোয়। ক্ষেতের দিকে, পায়ে হাঁটা আলপথ ধরে
মোজাম্মেল হক যখন পাকাপাকি গ্রামে ফিরে যান তখন স্বপ্নীলের বয়স সাত। শহরের বড় স্কুল, সারি সারি দোলনা, পিছলে পড়ার স্লাইড,
‘ব্যাপারটা আর সাধারণ পর্যায়ে নেই! অনেক ওপরে পৌছে গেছে!’ ঘরে পায়চারি করতে করতে বলল শুভর বন্ধু রাশেদ। ‘এক্সেক্টলি!’ বলল চিন্তাগ্রস্ত
ওর তো বুক নেই। রায়হান রাব্বী’র গলায় বিরক্তি। গুড়োদুধের বিজ্ঞাপনে এ্যাপেরিয়েন্স একটা বড় বিষয়, এটাও আমাকে বলে দিতে হবে! লিয়াজো
শৈশবের মধুময় স্মৃতি, নীল আকাশে উড়ন্ত রঙবেরঙের ঘুড়ি এবং মনমোহন রঙিন খেলনার আকর্ষণকে আমি জেনেশুনেই ছেড়ে দিই। সেইসব দিনে আমি
শিশুটি আকাশ দেখছিল। ছেঁড়া ফাটা কাঁথার উপর চিৎ করে শোয়ানো। কোমরে কালো ডোর, তাতে কড়ি বাঁধা। সদ্য কামানো হয়েছে মাথা।
ডোডো যেভাবে এলোআমরা, মানে মা, ছোট বোন রূপকথা আর আমি সপ্তর্ষি; বাবার জন্য অপেক্ষা করছি। হিসাব মতো নয়টায় বাসায় পৌছানোর