গুচ্ছ কবিতা ।। বিরামচিহ্নের সংলাপ ।। বঙ্কিম কুমার বর্মন
১ঈর্ষা জন্মালো অবশিষ্ট ক্ষুধায়। গড়িয়ে নামছে ততটা প্রখর নির্ভর। নিরুপায় হয়ে কিছু চৈত্রের পুনশ্চ ভাঁজ মেলে ধরেছি। তাতে উদ্ধার মিলেছে […]
১ঈর্ষা জন্মালো অবশিষ্ট ক্ষুধায়। গড়িয়ে নামছে ততটা প্রখর নির্ভর। নিরুপায় হয়ে কিছু চৈত্রের পুনশ্চ ভাঁজ মেলে ধরেছি। তাতে উদ্ধার মিলেছে […]
ইউনুস এমরে জলের উপরিভাগের স্বভাবে স্বচ্ছ, কিন্তু খানিকটা বাদেই তাঁর বোধি- সচল সন্তরণশীল মাছেদের খেলাধুলা, হট্টগোল প্রণালী মর্মে আসে, অনুধাবনে
[মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দী সাহিত্যের অধ্যাপক হূবনাথ পাণ্ডেয় হিন্দী ভাষার সমকালীন কবিদের অন্যতম। সমকালীন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি, সাম্প্রদায়িকতা বিষয়ে কবিতা
♦ বৃহন্নলা সময় ♦চড়াই উৎরায় ভেঙে নদী বয়ে চলেনিজস্ব গতি মেনে হয় ছান্দিকপোড়ো উঠোনে বাসা বেঁধেছে সময়ের চড়ুই এখন প্রথা
♦ নাটক ♦বৃষ্টির ভেতর কথা বলছে গাছতাদের স্নানের দৃশ্য দেখতে দেখতেপৃথিবীতে নেমে আসে নরম প্রভাত।আমাদের বেঁচে থাকা টুকু আলোর কোটেশনে
♦ পা-কাটা লোকটা ♦যে চলে যায়, অথবা যে জানে তার চলেযাবার সময় এসেছে ঘনিয়েতার কাছে মনে হতে থাকে-বাথানের ওপার থেকেচাঁদটা
প্রসন্নতার প্রদীপ্ত বেলাকোনো এক প্রদীপ্ত প্রসন্ন বেলায় বসে আছি বারান্দায়তুমি আর আমি।আপাতদৃষ্টিতে দুজন হলেওআমরা যেন দুজনে মিলে একক আত্মা।আমরা প্রবাহিত
♦ পুরনো মুদ্রাসত্য অথবা স্বপ্ন ছাড়াও যাপিত প্রাণের রোদ্দুর নিয়েআমরা, চলেছি অহরহ ভিড় আর গুঞ্জন ছেড়ে দূরে আলোর আভাসে ভাসে
[ভাকিফ সামেদৌলু (৫ জুন ১৯৩৯-২৮ জানুয়ারি ২০১৫) আজারবাইজানের একজন প্রতিষ্ঠিত কবি এবং নাট্যকার। তিনি আজারবাইজানের রাষ্ট্রীয় কবি ছাড়াও ‘জনকবি’র খ্যাতাব অর্জন
০০০০ পেছানোর ফরমুলা মফস্বলে বড় হতে থাকা আমাদের কৈশোর কাটে যৌবন প্রাপ্তির অপেক্ষায়; আড্ডা-প্রেম-গান-কবিতায়। বামে নদী-ডানে পুকুর, আড্ডার জায়গা শুকনা
খাঁচাউলটো দিকে কখনোই তাকাইনিউঁচু উঁচু বনভূমি, মাটির পাহাড় মাথা তুলে আকাশে তাকিয়ে আছেসবুজের মৌতাত মাখা আনন্দএসব দেখতে দেখতে চলছিবিপরীতে কখনই
জীবন পেয়ালা পান করি মোরা সত্ত্বা-পেয়ালা থেকেসদাই মোদের দু’চোখ বন্ধ করে,পেয়ালার সব সোনালী কিনারা থেকেনেমে আসা সব অশ্রুতে চোখ ভরে। জীবনের