পঞ্চপত্র প্রেমঃ পাবলো নেরুদা’র পাঁচটি কবিতা II ভূমিকা ও অনুবাদঃ রেজওয়ান তানিম
“আমি সবসময় কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করে এসেছি। এই শ্রেণিভুক্তকরণে যেখানে তারা আমাকে ফেলতে চায় তা হচ্ছে একটি […]
“আমি সবসময় কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করে এসেছি। এই শ্রেণিভুক্তকরণে যেখানে তারা আমাকে ফেলতে চায় তা হচ্ছে একটি […]
সিন্দাবাদের শহর: বদর শাকির আস সাইয়াব অনুবাদ: তুহিন খান ১. খাদ্যহীন গোরে শুয়ে— ক্ষুধার্তবস্ত্রহীন বরফশয্যায়— উলঙ্গএই আমি, শীতের তীব্রতায় চিক্কুর
ও আমার কথামালা, তুমি অত্যন্ত উদাসীন নয়তো খুব আলগাভাবে বোনা।তুমি সভ্য-ভব্য প্রবঞ্চকের হাতে ডিগবাজি খাওয়া বাজিকরের-হাড়। আমি তোমাকে প্রকাশ করি!
আমানি ঊনোবর্ষায় মন যে আরো মন্ত্রণাপ্রবণ হে নাগরিক তুমি কি সেরেক চিনবে না?ঝুনঝুনে অপেক্ষায় ধ্বনির নহরপ্রবাহিত ইশারায় তুমি কেন তা
১. কবিতা; শব্দের অন্তর্গত বোধ, নীরবতা, উড্ডীয়মানতা-এসবের মধ্য দিয়েই হয়তো কবিতার পৃথিবীতে ঝঞ্ঝারত কবিকে অনুভব করা যায়, তার সময়কে দেখতে
১. জীবনটা ফুল, পাখি, কবিতায় ব্যয় হবে, কথা তো এটাই ছিলো।অথচ, কামাল, কাজের বাহানা করে শেষ হলো তোমার জীবন! ২.
ল্যাপিস লাজুলি আমি হিস্টেরিয়াগ্রস্থ নারীদের একথা বলতে শুনেছি–সেই সব কবিদের রং আর বাদনে তাদের বিরক্তি,সারাটা সময়ই যারা আনন্দে উচ্ছ্বল,কেননা এতো সবাই
ভোর খুব ভোর। আমাদের ঘুম ভাঙে। পাথরের উপর আমরা শুয়ে পড়ি আবার। পোকাদের অনন্ত গুঞ্জনের ভেতর জড়ো হয় সমুদ্রের একাকীত্ব
জওয়াবিতার নীরবতা!অসম্মতির লক্ষণ হ’য়ে ছেয়ে আছোঅকরুণ সিন্ধু-তীরে সন্ধ্যার আকাশ।ধর্মযুদ্ধ শেষ হ’য়ে আসে,প্রান্তরে পচনশীল ঘাসেভাঙা ঢাল, নিঃস্ব শিরস্ত্রাণসূর্য-স্বীকৃতির অভিলাষেখোলামকুচির মতো হাসে;মরতে-মরতে
বরষামঙ্গলঅলক্ষ্য কিছু ইচ্ছে এই আষাঢ়ে কাদা হয়ে গেছে!তারা ধুলো ছিল, উড়ে উড়ে বেড়াত পত্রল সম্মোহনে… চলতি বর্ষণ বেশি সময় দেবে
রাস্তারাস্তা যেমনই হোক লক্ষ্য শুধু হাঁটাএকটি পৃথিবী থেকে অন্য এক পৃথিবীর দিকেআমাদের ভাষার ভিতরে অন্য এক ভাষা আছেআমাদের বাঁচার ভিতরে